গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে বুধবার (৪ নভেম্বর) অন্তত ৩০টি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। কাজে যোগ দিতে কারখানার সামনে জড়ো হওয়ার পর তাঁদের বিক্ষোভ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা ভোগড়া বাইপাস এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন। পরে শ্রমিকেরা বিভিন্ন অলিগলিতে সরে যান। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কারখানায় ছুটি ঘোষণার পর অনেক শ্রমিক বাড়ি ফিরে গেলেও কিছু শ্রমিক বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভের চেষ্টা করেন।
শিল্প পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানান, সকালে শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিতে এসে কারখানার সামনে জড়ো হন। পরে বিক্ষোভ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
বেলা ১২টার পর গাজীপুরের বেশির ভাগ এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়।








