প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্ট বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ মো. ছালেহ (ছালেহ শিবলী)।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্য নিয়ে বক্তব্য দেন তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, ‘২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারম্যানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে।’ তার বক্তব্যে সরকারের পরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রত্যয়ের কথা উঠে আসে।
আবু আবদুল্লাহ মো. ছালেহ বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রয়োজনের কথা জানে। সব ধর্ম, বর্ণ, মত ও পথের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি তার নিজের পরিবারও এই কার্ডের আওতায় আসবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ক্রীড়াবিদ, ব্যবসায়ী, কৃষক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য পৃথক পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব।
সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য ও বিভাজন থাকা স্বাভাবিক। তবে এসব বিভেদ যেন দল ও দেশের বৃহত্তর স্বার্থের বাইরে না যায়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে ফরিদগঞ্জে দলের অভ্যন্তরীণ কিছু মতপার্থক্য দ্রুত দূর করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আবু আবদুল্লাহ মো. ছালেহ আরও বলেন, দলের কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন, তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত মতভেদ থাকলেও দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দলের দুর্দিনে পাশে ছিলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। দিন শেষে দলের স্বার্থে সবাই এক। সামনে দলের জন্য ভালো সময় আসছে।’
সমাবেশে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দলীয় ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।










