রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের তিন বাহিনীর প্রধান। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান তারা। এ সময় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম, পেশাগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ বাহিনীর চলমান কার্যক্রম, সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় তিন বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার বিষয়েও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক ও চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী সামরিক সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্ব দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিশ্বের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাহিনীর সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী ও কার্যকর করার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বঙ্গভবনের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।










