নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানীতে বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল।
আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা বৃহস্পতিবার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত বৈঠকের এক দিন আগে বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তবে বৈঠক বাতিলের কারণ সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
বৈঠকে যোগ দিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ইতোমধ্যে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকটি শেখ হাসিনা বর্তমানে যে বাসভবনে অবস্থান করছেন, সেখানেই হওয়ার কথা ছিল। সেখানে দলের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে যান এবং এরপর থেকে নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন।
এদিকে ভারতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আলোচনা ও সংবেদনশীলতার বিষয় সামনে এসেছে। গত ২৯ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট বক্তাদের অংশগ্রহণে একটি অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দিল্লি পুলিশ অনুমতি দেয়নি। তবে পুলিশের এক কর্মকর্তা পরে অনুষ্ঠানে পুলিশের হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেন।
এর আগে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার একটি সরাসরি গণমাধ্যম সংলাপ নিয়েও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা তৈরি হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। পরে ভারত সরকার ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে।
এ অবস্থায় ১৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠক বাতিলের খবর সামনে এসেছে। তবে বৈঠকটি ঠিক কী কারণে বাতিল করা হয়েছে, সে বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।










