ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথে কানাডার আকাশসীমা ব্যবহার করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে কানাডা। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা আনন্দ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে সিটিভি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনিতা আনন্দ এসব কথা বলেন বলে আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেতানিয়াহুর বিশেষ বিমান দেশটির আকাশসীমা ব্যবহার করেছে কি না, সে বিষয়ে বিমান চলাচলসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে নেতানিয়াহুকে কানাডা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি।
আনিতা আনন্দ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা কানাডার অবস্থানের অংশ। একই সঙ্গে গাজা, ফিলিস্তিন ও পশ্চিম তীরসহ সংঘাত ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কারণে নেতানিয়াহু কানাডায় প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। সরকারি বিমানে কোনো বিদেশি অতিথি কানাডার আকাশসীমা ব্যবহার করতে চাইলে নির্দিষ্ট সময় আগে কূটনৈতিক অনুমতির আবেদন করার নিয়ম রয়েছে।
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আইসিসি নেতানিয়াহু ও তৎকালীন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গাজা পরিস্থিতিতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। অভিযোগগুলো আদালতের বিচারাধীন বিষয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় নয়।
এদিকে নেতানিয়াহু জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে গেছেন। তার বিমান এর আগে ইউরোপের কয়েকটি আইসিসি সদস্য দেশের আকাশসীমাও ব্যবহার করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।










