কুমিল্লার তাজমিন হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন রিয়াজ উদ্দিন রাজুকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাজমিনের কথিত প্রেমিক রাজুকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছিল। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরের দিকে কুমিল্লা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার সদর থানায় পৌঁছায়। পরে রাজুকে নিয়ে তারা কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে কক্সবাজারের হোটেল ও মোটেল জোনের কলাতলী এলাকা থেকে রাজুকে আটক করা হয়। কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ আহিদুর রহমান জানান, তাজমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজু স্বীকার করেছেন যে তিনি তাজমিনকে কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করেছিলেন। তবে হত্যাকাণ্ডে তার প্রকৃত ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আগে কথা বলার সময় রাজু তাজমিনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তার দাবি, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাদের পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ভোরে তাজমিন কক্সবাজারে পৌঁছান। ওই দিন তারা কলাতলী এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থান করেন বলে রাজু দাবি করেন।
রাজুর বক্তব্য অনুযায়ী, পরদিন বিকেলে তাজমিন একাই বাসে করে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হন। পরে কুমিল্লায় পৌঁছানোর পর তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
তাজমিন হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে রাজুর সংশ্লিষ্টতা এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।










