বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং এ বিষয়ে মতামত প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সোলার প্যানেল স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা, বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো এবং সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে আলোচনা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলামসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় মোট বিদ্যুতের চাহিদা নিরূপণ, বিদ্যুতের ব্যবহার হ্রাস, সিস্টেম লস কমানো এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের উপযোগী ফাঁকা জায়গা চিহ্নিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে একটি মানচিত্র তৈরি এবং প্রস্তাবিত স্থানে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন প্রস্তুত করে পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংসদ ভবনের মূল স্থাপত্যশৈলী এবং স্থপতি লুইস আই কানের নকশা অক্ষুণ্ন রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অথবা অন্য কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করা হয়।
সোলার প্যানেল স্থাপনের সার্বিক সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রতিবেদন তৈরির জন্য তিন সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন মো. আশরাফ উদ্দিন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও মারদিয়া মমতাজ। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপকমিটির কাজে যুক্ত থাকবেন।
এ ছাড়া অধিবেশন ছাড়া অন্য সময়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমপি হোস্টেলের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের চলমান প্রকল্পের দায়ভার এ কমিটি নেবে না বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।










