নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলা গেজেটা
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। একই পূর্বাভাসে আগামী বছরের ১০ মার্চ, বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে পবিত্র চাঁদ দেখার ওপর।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতে প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হতে পারে। পরদিন থেকে শুরু হতে পারে রোজা।
হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় ইংরেজি বর্ষপঞ্জিতে প্রতিবছর রমজান মাস সাধারণত ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন আগে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। এ মাসে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারসহ নির্ধারিত কিছু কাজ থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন।
রমজান মাসে রোজা রাখার পাশাপাশি নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, দান সদকা ও আত্মসংযমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এ মাসকে ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করেন।
রমজান সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারিত হয়। ফলে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাসে ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু এবং ১০ মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাবনা থাকলেও এগুলো এখনো চূড়ান্ত তারিখ নয়।
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা করে রমজান শুরুর ও ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করবে।










