সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে মরদেহটি বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আজকালের খবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২২ অক্টোবর স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে শাহেদের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। পরদিন সকালে মরদেহটি ঢাকায় পৌঁছায়।
নিহত শাহেদ আহম্মেদ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে। গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত হামলায় তিনি নিহত হন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তাঁদের একজন সৌদি প্রবাসী শাহেদ আহম্মেদ। হামলার ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় ও তাঁদের পরিবারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নিহত প্রবাসীদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও তথ্য দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নিহত ১১ জন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও সংকটের সময়ে তাঁদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিদেশে কোনো সংঘাত বা হামলায় বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হলে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো তাঁকে কাছে পাওয়ার সুযোগ পেলেন। তবে হামলার ঘটনায় নিহত অন্য বাংলাদেশির পরিচয় ও তাঁদের মরদেহ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।










