সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী ও সর্বহারা সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ফোর্স-১২-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন।
আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে পাবনার ৪৫ জন, রাজবাড়ীর ১৩ জন এবং সিরাজগঞ্জের সাতজন রয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আত্মসমর্পণকারীদের আইনি পরামর্শ দেওয়া হবে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নানা জটিলতা ও সমস্যা সমাধানেও তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি অন্ধকারের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে একটি প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
অনুষ্ঠানে এসআরবি ফোর্সেসের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আত্মসমর্পণকারীরা তাঁদের অতীত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
আত্মসমর্পণকারী বাবু মিয়া ওরফে আইনুল হোসেন জানান, ভুল পথে চলতে গিয়ে তাঁর জীবনের ১৫ বছর কেটে গেছে। অন্যদিকে, মো. মাজেদ আলী মুন্সী অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী ৫ আগস্টের পর লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়ার কথা জানান।
একসময় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধে চরমপন্থীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও বিভিন্ন সময়ে সদস্যদের আত্মসমর্পণের ফলে এসব এলাকায় চরমপন্থী তৎপরতা অনেকটাই কমেছে।









