ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে একটি কক্ষকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া ‘আপত্তিকর’ ঘটনার ভিডিও দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। জানা গেছে, তারা নোয়াখালীর বাসিন্দা এবং তাদের একজন হল সংসদের এজিএস ইব্রাহিম খলিলের আত্মীয়।
ঘটনার পর এজিএস ইব্রাহিম খলিল দাবি করেন, তিনি সরল বিশ্বাসে তার আত্মীয়কে কক্ষে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন। পরে ওই আত্মীয় তার এক বন্ধুকে কক্ষে নিয়ে আসেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় তিনি হলে উপস্থিত ছিলেন না এবং পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। নিজের সম্মান ও নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। শহীদুল্লাহ হল প্রশাসন ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এজিএসের সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই বহিরাগতকে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হল এলাকায় উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়। হল সংসদের সঙ্গে আলোচনার সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

