স্পোর্টস ডেস্ক | বাংলা গেজেটা
তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। এরপর ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিকেরা। তবে শেষ পর্যন্ত আরভিনকে সেঞ্চুরি করতে দেননি বাংলাদেশের পেসার শরিফুল ইসলাম।
সেঞ্চুরি থেকে মাত্র সাত রান দূরে থাকতে শরিফুলের স্লোয়ার ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আরভিন। ১০৬ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন জিম্বাবুয়ের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তাঁর বিদায়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি উইকেট পায় বাংলাদেশ।
এর আগে ২৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের শুরুতেই ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারানকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। পরে তাফাদজওয়া সিগাকেও আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন এই পেসার।
তাসকিনের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর জিম্বাবুয়ের হাল ধরেন ব্রেন্ডন টেলর ও আরভিন। দুজন মিলে গড়ে তোলেন ১৫০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। টেলর ৮১ রান করে সাইফ হাসানের বলে আউট হন। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
টেলর ফেরার পর সাইফের পরের ওভারের প্রথম বলেই বিদায় নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। সুইপ করতে গিয়ে উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ফলে একই স্পেলে দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর সুযোগ তৈরি করেন সাইফ।
এদিকে দীর্ঘ সময় উইকেটশূন্য থাকার পর ওয়েসলি মাধেভেরেকে ফিরিয়ে উইকেটের দেখা পান লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাধেভেরে।
ম্যাচটিতে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে খেলেননি। জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় একাদশে ছিলেন না মেহেদী হাসান মিরাজও। তাঁদের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেন তাওহীদ হৃদয়। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে।









