জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্টদের মতে, সফরে জাপানি বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব প্রতিশ্রুতির সুফল পেতে দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিবেদনে ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ এবং প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সফরের শেষ দিনে নাগোয়া শহরে টয়োটার প্রধান কারখানা ও গাড়ি সংযোজন প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গী মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।
জাপানপ্রবাসী ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকেরা সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। বিজিএমইএর উপদেষ্টা কাজী সারওয়ার হাবিব বলেন, জাপানের পোশাকবাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে। তার মতে, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে রপ্তানি আয় বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু মনে করেন, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা জরুরি। জাপানপ্রবাসী বিনিয়োগ ব্যাংকার হোসেইন মো. সারোয়ার সানিও জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ফ্লাইট প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। পরে স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে উড়োজাহাজটি টোকিওর নারিতা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।









