কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ঘর থেকে তুলে নিয়ে মারধরের ঘটনায় মো. আয়াছ (২২) নামে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) এক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছৈয়দ মোহাম্মদ (২৪) নামে সংগঠনটির আরেক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার জন্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের দায়ী করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উখিয়ার ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে এ ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, আরএসওর দুই সদস্যকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে মারধর করা হয়। এতে আয়াছ ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত মো. আয়াছ ওই আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা করিম উল্লাহর ছেলে। আহত ছৈয়দ মোহাম্মদ একই ক্যাম্পের ফকির আহমেদের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় ছৈয়দ মোহাম্মদকে পরে এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় আরসার কয়েকজন সদস্যের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে মো. সলিম, নজিম উল্লাহ, ফয়সাল, আকরাম ও হানিফের নাম উল্লেখ করেছেন তিনি।
এপিবিএন সূত্রে আরও জানা গেছে, নিহত আয়াছের মরদেহ উদ্ধার করে উখিয়া থানা-পুলিশের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরোধ ও সহিংসতার ঘটনা নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। তবে এই ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন থেকে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।










