রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর রাশিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো এই শুভেচ্ছাবার্তাকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস (CIS) উইংয়ের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে পাঠানো অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন।
রুশ দূতাবাসের এক বার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রেসিডেন্ট পুতিন তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে সাফল্য এবং দেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের অভিনন্দনবার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রে সহযোগিতা রয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতসহ বড় ধরনের অবকাঠামোগত প্রকল্পে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে পাঠানো এই অভিনন্দনপত্র দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অভিনন্দন জানানোর বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্বও তুলে ধরছে। দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো সামনে রেখে ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।










