গাজীপুরে কারখানার ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তৌফিক নামে এক যুবক হামলার শিকার হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, শ্রমিক পরিচয়ধারী দুর্বৃত্তরা তৌফিককে মারধর করে গুরুতর আহত করে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন।
পোস্টে তাঁর দাবি, সোমবার গাজীপুর সদর উপজেলার পূর্ব মির্জাপুরে নোমান টেরি টাওয়েল লিমিটেড ও তালহা ফেব্রিকস লিমিটেডের শ্রমিকেরা মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলন করেন। এ সময় কিছু ব্যক্তি কারখানার ফটক ও প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের চেষ্টা চালান বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তৌফিককে মারধর করা হয়। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনাকে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে সহিংসতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তিনি জামায়াত ও এনসিপিকে এ ধরনের তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ।










