ছয়টি আসনের বিনিময়ে জামায়াতে ইসলামীর কাছে ‘নতুন বন্দোবস্ত’ বিক্রি করার অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করে তিনি দাবি করেছেন, দলটি শুরুতে নিরপেক্ষ রাজনীতি ও নতুন বন্দোবস্তের কথা বললেও পরে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতায় গেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আবু হানিফ।
পোস্টে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এনসিপির উত্থান ঘটে। শুরুতে দলটি নিরপেক্ষতার কথা বলে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আবু হানিফের দাবি, এনসিপি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বলে ৩০০ আসনে ১ হাজার ৪৮৪টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মাত্র ছয়টি আসনের বিনিময়ে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করেছে দলটি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে এনসিপি সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তাঁর ভাষায়, দলটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেক অংশীজনকে রাজনৈতিকভাবে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা এনসিপির নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুশোচনা না করে দলটির নেতারা অন্যদের নীতির কথা শোনাচ্ছেন।
তবে আবু হানিফের এসব বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মন্তব্য ও অভিযোগ। ছয়টি আসনের বিনিময়ে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে এনসিপির বক্তব্য বা এ অভিযোগের স্বাধীন যাচাই সম্পর্কে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই।
এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে আবু হানিফের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দলগুলোর অবস্থান ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।










