মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ও খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধার কারণে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে।
খাদ্যপণ্যের দাম ২০২৬ সালে ১০ শতাংশের বেশি এবং ২০২৭ সালে আরও ৭ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। পাশাপাশি কৃষিতে ব্যবহৃত সারের দাম এ বছর ১৪ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ, কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনে বাধা ও বিরূপ আবহাওয়া খাদ্যসংকটের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ এবং স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুর দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এতে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও চরম দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, জ্বালানির বাড়তি খরচ ও বাণিজ্যে বিঘ্নের কারণে একাধিক পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে ইতিমধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।









