ভারতে উগ্রপন্থী হিন্দুরা কুরআন শরীফ পুড়িয়ে দিচ্ছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে রিউমর স্ক্যানারের ফ্যাক্টচেক অনুযায়ী, ভিডিওটির সঙ্গে প্রচারিত দাবির কোনো মিল নেই।
ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিওটি কুরআন পোড়ানোর দৃশ্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, গত আগস্টে ভারতের হিমাচল প্রদেশের মান্ডি শহরে বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভের দৃশ্য এটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) নেতাকর্মীরা ওই বিক্ষোভে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। এ সময় পুলিশ আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তাদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ঘটনার ভিডিওতে পুলিশকে কুশপুত্তলিকায় পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। পরে বিক্ষোভকারীরা আবার কুশপুত্তলিকায় আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কুশপুত্তলিকাটি নিয়ে কিছু সময় টানাটানিও হয়।
রিউমর স্ক্যানার জানায়, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারত ও এমবিএম নিউজ নেটওয়ার্কের ২৫ আগস্টের প্রতিবেদনে একই ঘটনার ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। এসব প্রতিবেদনের দৃশ্যের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটির মিল রয়েছে।
ফলে কুরআন শরীফ পোড়ানোর দাবি করে প্রচারিত ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, এটি হিমাচল প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর কুশপুত্তলিকা দাহের ঘটনার ভিডিও।










