মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে কবি, গীতিকার ও অভিনেতা মারজুক রাসেলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আলোচিত মন্তব্যটি মারজুক রাসেল করেননি। কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাঁর নামে মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রচারিত পোস্টে দাবি করা হয়, সৌদি আরবে চুমু খাওয়ার অপরাধে শিরশ্ছেদকে বৈধ বলা হলেও বাংলাদেশে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক হুজুরকে অভিভাবক থাপ্পড় দিলে সেটিকে অন্যায় বলা হচ্ছে। তবে রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে এই বক্তব্যের পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মারজুক রাসেল এমন মন্তব্য করে থাকলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ বা সূত্র পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং অফিসিয়াল পেজেও এমন কোনো মন্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
রিউমর স্ক্যানারকে মারজুক রাসেল নিজেও জানিয়েছেন, তিনি এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের প্রসঙ্গে মারজুক রাসেলের নামে প্রচারিত বক্তব্যটি ভুয়া ও বানোয়াট। ফলে যাচাই ছাড়া এমন পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।









