রাজধানীর তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য জানিয়েছে তার পরিবার। স্বজনদের দাবি, এর আগেও মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকায় গাড়িচাপা দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উত্তরা রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের করবী ভবনে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি, প্রথমবারের চেষ্টায় বেঁচে গেলেও এবার পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে মরদেহ তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করীম হেলাল জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দীপ নামের এক বন্ধু তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরদিন বুধবার সন্ধ্যার আগে উত্তরখান থানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর দেওয়া হয়।
পরিবারের দাবি, নিখোঁজের রাতে তাহসিফের মোবাইল থেকে তার মায়ের কাছে বাসায় ফেরার কথা জানিয়ে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠানো হয়েছিল। তবে পরিবারের এক সদস্যের সন্দেহ, কণ্ঠটি তাহসিফের নয়। তাদের ধারণা, তাকে আগেই হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
তাহসিফের এক চাচার অভিযোগ, প্রায় এক মাস আগে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার নামে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় আহত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন বাসায় বিশ্রামে ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।
নৌ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার তুরাগ নদে ভাসমান অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। সঙ্গে থাকা আইফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মরদেহটি প্রথম দেখতে পান নৌকার মাঝি মোহাম্মদ রাজিব।
পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হবে।









