ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের ১০২ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে গত চার বছরের মধ্যে বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যা রেকর্ড হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন, যা গত বছরের তুলনায় ৫৪৭ জন কম।
এবার বোর্ডের অধীন ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটির সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে শূন্য পাসের ১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলার সাতটি, নেত্রকোনার ছয়টি, জামালপুরের চারটি ও শেরপুরের দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৭৩ হাজার ৪২০ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭০ হাজার ৬৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৬৩ দশমিক ২২ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা কমে ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশে নেমে আসে।
ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৪৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ১১৯ ছাত্রী এবং ১ হাজার ১৮ ছাত্র।
বিষয়ভিত্তিক ফলে ইংরেজিতে ৪০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং হিসাববিজ্ঞানে ৪২ দশমিক ০৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বোর্ড সচিব এনামুল হক বলেন, সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।










