সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি রিল ভিডিওকে কেন্দ্র করে সমালোচনা ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল তাঁর পাশে দাঁড়ানো শিক্ষক, সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বিউটি রানী পাল বলেন, “স্বাভাবিক ও সুন্দর একটি মুহূর্তের ভিডিওকে বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গিতে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে আমাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছিল। এ সময় অনেকে আমাকে সমর্থন দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”
রিল ভিডিওটি ঘিরে বিতর্কের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর প্রতি সংহতি জানান। অনেকে একই গানের সঙ্গে নিজেদের ভিডিও প্রকাশ করে সমর্থন জানান, আবার অনেকে ফেসবুকে পোস্ট লিখেও তাঁর পক্ষে অবস্থান নেন।
সাইবার বুলিং অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে গত শুক্রবার ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বিউটি রানী পাল। জিডিতে তিনি অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি ও একটি ফেসবুক পেজ তাঁর অনুমতি ছাড়া রিল ভিডিওটি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচকভাবে প্রচার করেছে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বিউটির প্রতি সংহতি প্রকাশকারীদের অনেকের মতে, তাঁর প্রকাশিত ভিডিওতে কোনো অশ্লীল বা অনৈতিক বিষয় ছিল না। তাঁদের ভাষ্য, একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত জীবনের একটি স্বাভাবিক মুহূর্তকে কেন্দ্র করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং সাইবার বুলিংয়ের শিকার করা অনাকাঙ্ক্ষিত।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।










