চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউজে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বাণিজ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে দুই দেশের অবস্থান ও মতপার্থক্য আলোচনায় আসে।
নৈশভোজের আগে ট্রাম্প ও শি প্রায় ৯০ মিনিট রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠকে বাণিজ্য, এআই, তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই নেতা সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও কয়েকটি কৌশলগত ইস্যুতে তাদের অবস্থান ভিন্ন রয়েছে।
তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে শি যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করতে এবং বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনার আহ্বান জানান। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষায় সহায়তা দিয়ে আসছে এবং একতরফাভাবে বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের বিরোধিতা করে।
ইরান যুদ্ধ নিয়েও দুই দেশের অবস্থানে পার্থক্য রয়েছে। চীন সংঘাতের অবসানে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রও চীনের প্রভাব ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো বড় কোনো অগ্রগতির ঘোষণা আসেনি।
এআই নিয়েও আলোচনা হয়েছে। শি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়া উচিত। একই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা কমাতে বিদ্যমান বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে।
নৈশভোজে প্রযুক্তি খাতের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও প্রযুক্তির গুরুত্বও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।










