দেশের ৭ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় ৫১ শতাংশই মৌলিকভাবে পড়তে ও লিখতে পারে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার ২০৩৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। এ তহবিলের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের প্রায় ৪০ শতাংশ বেকার, যা দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
উপদেষ্টার মতে, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।৭ থেকে ১১ বছরের অর্ধেকের বেশি শিশু পড়তে-লিখতে পারে না: তিতুমীর
দেশের ৭ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় ৫১ শতাংশই মৌলিকভাবে পড়তে ও লিখতে পারে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার ২০৩৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করেছে। এ তহবিলের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের প্রায় ৪০ শতাংশ বেকার, যা দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং দক্ষতা-ভিত্তিক কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
উপদেষ্টার মতে, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

