শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল আসক্তি কমাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। একের পর এক দেশে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ, অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা কিংবা সরাসরি নিষেধাজ্ঞার মতো আইন কার্যকর বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ লক্ষ্যে ইউরোপীয় কমিশনের কাছে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর সম্ভাব্য বিধিনিষেধ নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিচ্ছে। এতে বয়স যাচাই, নিরাপত্তা জোরদার এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে শিশুদের সুরক্ষায় নতুন নীতিমালার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ব্রাজিলে ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট অভিভাবকের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রাখা এবং বাধ্যতামূলক বয়স যাচাইয়ের নিয়ম চালু হয়েছে। চীন ২০১৯ সাল থেকে ধাপে ধাপে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অনলাইন কার্যক্রম সীমিত করছে। প্রথমে গেমিংয়ে সময়সীমা আরোপ করা হলেও পরে সেই বিধিনিষেধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও সম্প্রসারণ করা হয়।
এদিকে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কও শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর আইন বা বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে কিংবা কার্যকরের পথে রয়েছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। গ্রিস, অস্ট্রিয়া, স্লোভেনিয়া, জার্মানি, সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, পর্তুগাল ও স্পেন বয়সভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ বা নির্দিষ্ট বয়সের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আইন প্রণয়ন বা নীতিগত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ছাড়া কানাডা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে। ভারতের কয়েকটি রাজ্যও শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং সাইবার হয়রানি প্রতিরোধে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বয়স যাচাইয়ের কার্যকারিতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং আইন বাস্তবায়নের বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল আসক্তি কমাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। একের পর এক দেশে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ, অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করা কিংবা সরাসরি নিষেধাজ্ঞার মতো আইন কার্যকর বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ লক্ষ্যে ইউরোপীয় কমিশনের কাছে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর সম্ভাব্য বিধিনিষেধ নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিচ্ছে। এতে বয়স যাচাই, নিরাপত্তা জোরদার এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে শিশুদের সুরক্ষায় নতুন নীতিমালার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। ব্রাজিলে ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট অভিভাবকের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রাখা এবং বাধ্যতামূলক বয়স যাচাইয়ের নিয়ম চালু হয়েছে। চীন ২০১৯ সাল থেকে ধাপে ধাপে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অনলাইন কার্যক্রম সীমিত করছে। প্রথমে গেমিংয়ে সময়সীমা আরোপ করা হলেও পরে সেই বিধিনিষেধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও সম্প্রসারণ করা হয়।
এদিকে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কও শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর আইন বা বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে কিংবা কার্যকরের পথে রয়েছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। গ্রিস, অস্ট্রিয়া, স্লোভেনিয়া, জার্মানি, সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, পর্তুগাল ও স্পেন বয়সভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ বা নির্দিষ্ট বয়সের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আইন প্রণয়ন বা নীতিগত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ছাড়া কানাডা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে। ভারতের কয়েকটি রাজ্যও শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং সাইবার হয়রানি প্রতিরোধে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বয়স যাচাইয়ের কার্যকারিতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং আইন বাস্তবায়নের বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

