নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জামাতা মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের পর বিবৃতি দিয়েছেন কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুর। তিনি দাবি করেছেন, মিজানুরের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে তাকে ও জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
আব্দুল গফুরের দাবি, গণমাধ্যমে মিজানুরকে তার নিজস্ব বাসা থেকে গ্রেপ্তারের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি বলেন, ঢাকার মাটিকাটা এলাকায় তার কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই এবং তিনি সরকারি বরাদ্দের ন্যাম ভবনে থাকেন।
এমপি আরও দাবি করেন, মিজানুর রহমানের সঙ্গে নিউ গ্রিন প্রোপার্টিজের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। প্রতিষ্ঠানটির কাছে মিজানুরের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় এবং সেই বিরোধের জেরেই বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। এসব বক্তব্য অবশ্য এমপির নিজস্ব দাবি।
আব্দুল গফুর বলেন, মিজানুরের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে তার কিংবা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা নেই। নিউগিনি প্রোপার্টিজে সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গেও মিজানুরের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে পুলিশের মামলায় মিজানুর রহমানকে এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবির গুলশান বিভাগ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করা হয় এবং ওই মামলায় মিজানুরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।










