ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তাদের আশঙ্কা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে ইরান প্রার্থী, নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান জানায়, নেসেটের গোয়েন্দা ও গোপন সংস্থা বিষয়ক উপকমিটির এক গোপন বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপকমিটির চেয়ারম্যান ও লিকুদ পার্টির সংসদ সদস্য বোয়াজ বিসমুথ বলেন, নির্বাচনের সময় ইসরায়েলের শত্রুরা অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করতে পারে এবং প্রার্থীদের ওপর শারীরিক হামলার ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তিনি দাবি করেন, যুদ্ধক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় ইরান এখন ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বিভাজন সৃষ্টি, গৃহযুদ্ধের উসকানি এবং নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার কৌশল নিতে পারে।
এদিকে, সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট নোয়াম সোলবার্গ জানিয়েছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করা হচ্ছে।
এর আগে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, একই বৈঠকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট-এর পরিচালক ডেভিড জিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানসহ কয়েকটি দেশ আসন্ন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা চালাচ্ছে। বৈঠকে উপস্থিত সূত্রগুলোর দাবি, সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে বেশ উদ্বিগ্ন দেখা গেছে।
তবে উল্লেখ্য, ইরানের পক্ষ থেকে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এসব আশঙ্কা ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

