‘সাংবাদিকের তথ্য নেওয়ার কোনো অধিকার বা এখতিয়ার নেই’—এমন মন্তব্য করে আলোচনায় আসা পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মানিককে একই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর আটোয়ারীতে তার শেষ কর্মদিবস ছিল। পরদিন ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।
এর আগে গত ১০ আগস্ট আটোয়ারী উপজেলা নির্বাচন অফিসে তথ্য নিতে গিয়ে সাংবাদিক সালাম মুর্শেদীর সঙ্গে শাহজাহান মানিকের কথোপকথন নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। এর আগে ১৫ জুলাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন অফিসে বরাদ্দকৃত অর্থ, বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও ব্যয়ের বিবরণসহ তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে লিখিত আবেদন করেছিলেন ওই সাংবাদিক।
অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা তথ্য সরবরাহ করা হয়নি। পরে ১০ আগস্ট তথ্য নিতে গেলে নির্বাচন কর্মকর্তা সাংবাদিককে তথ্য দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানান। এ সময় তিনি সাংবাদিকের তথ্য নেওয়ার অধিকার বা এখতিয়ার নেই বলে মন্তব্য করেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহলে আলোচনা তৈরি হয় এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
তথ্য অধিকার আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সরকারি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা তথ্য চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে কোন তথ্য প্রকাশযোগ্য এবং কোন তথ্য আইনগতভাবে গোপনীয়, তা সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
এদিকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শাহজাহান মানিকের বদলির খবর সামনে এলেও, সাংবাদিকের সঙ্গে তথ্য নিয়ে বিরোধ বা প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করেই তার বদলি হয়েছে—এমন কোনো সরকারি কারণ বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।










