কারাবাও কাপের শেষ ষোলোতে চেলসিকে টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে সমতায় শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটে জয় নিশ্চিত করে অলরেডরা।
লিভারপুলের হয়ে জয়সূচক পেনাল্টি থেকে গোল করেন ডিফেন্ডার জো গোমেজ। ক্লাবটির হয়ে ২৮০ ম্যাচ খেলেও এর আগে গোলের দেখা পাননি তিনি। অন্যদিকে চেলসির ওয়েসলি ফোফানার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে গেলে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত হয়।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই খুব বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিতে পারেনি। বিরতির আগে চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি পেনাল্টি থেকে গোল আসে। লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্খের ফাউলে পেনাল্টি পায় চেলসি। স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মর্গান রজার্স।
এরপর কর্নার থেকে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে চেলসির ফোফানার হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পায় লিভারপুল। স্পটকিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান কোডি গাকপো।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত সময়ে আর জালের দেখা পায়নি কেউ। চেলসির গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। লিভারপুলও বদলি খেলোয়াড় নামিয়ে আক্রমণে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় টাইব্রেকারে।
পেনাল্টি শুটআউটে দুই দলই শুরুতে সফল হলেও শেষ দিকে চেলসির ভুল কাজে লাগায় লিভারপুল। গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলি একটি গুরুত্বপূর্ণ শট ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ফোফানার পেনাল্টি মিসে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পায় লিভারপুল।
ম্যাচে লিভারপুলের কিশোর ফুটবলার রিও এনগুমোহাও নজর কাড়েন। তাঁর গতিময় দৌড় ও আক্রমণাত্মক খেলায় একাধিকবার চাপে পড়ে চেলসির রক্ষণভাগ।










