গাজায় যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও প্রায় ১০০ জন আটকা পড়ে থাকতে পারেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ভবনটি ধসে পড়ার পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এতে আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধারকাজের বিভিন্ন ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুদের বের করে আনতে দেখা গেছে। স্থানীয়রাও হাতে করে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন। একটি ভিডিওতে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত এক শিশুকে উদ্ধারের দৃশ্যও দেখা যায়।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, নিখোঁজদের সন্ধান এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। তবে ভারী উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হামলায় ভবনটিতে ফাটল সৃষ্টি হয়ে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল বলে জানানো হয়। দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গাজার বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধারযন্ত্রের প্রবেশে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
জাতিসংঘের অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বিষয়ক মানবিক সমন্বয়ক রামিজ আলাকবারভ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের মানবিক সহায়তার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছেন, এখনও প্রাণ বাঁচানোর সুযোগ রয়েছে এবং উদ্ধারকাজে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ।









