জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে প্রতিবাদ, স্মরণ ও সংহতির আবহে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হন হাজারো মানুষ। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা পরিণত হয় প্রতিবাদী সমাবেশে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে দুপুর থেকেই শহীদ মিনারে আসতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। হালকা বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সেখানে যোগ দেন।
শহীদ মিনার ছাড়িয়ে আশপাশের চাঁনখারপুল, দোয়েল চত্বর, জগন্নাথ হল মোড় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে জনসমাগম। আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি অনেক সাধারণ মানুষও স্লোগানে অংশ নেন।
সমাবেশে ‘জাস্টিস চাই’, ‘খুনের বিচার চাই’সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবক ও মুক্তিযোদ্ধারাও সংহতি প্রকাশ করেন।
এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়ার পর আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারের দিকে আসেন। সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি শেষে তারা শহীদ মিনারে সমবেত হন।
এদিকে সংগীতশিল্পীরাও ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি জানান। তারা ‘গেট আপ, স্ট্যান্ড আপ’ স্লোগানে কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং গ্রেপ্তার হওয়া তরুণ র্যাপার হান্নানের মুক্তির দাবিও জানান।
শহীদ মিনারের এই সমাবেশে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ীদের বিচার ও জবাবদিহির দাবি জানান।

